বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
কংগ্রেসের এক বছর পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন যুবলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন খান নিখিল এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন।
এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি যাচাই-বাছাই করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কাছে হস্তান্তর করেন। ওবায়দুল কাদের চূড়ান্ত কমিটি বিকেলে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের হাতে তুলে দেন।
এরপরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি আলোর মুখ দেখে।
২০১ সদস্যের যুবলীগের কমিটিতে ২৭ জন প্রেসিডিয়াম সদস্যের রয়েছেন। এর মধ্যে ২২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পাঁচটি পদ ফাঁকা রয়েছে। এই ২২ জনের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, মঞ্জুর আলম শাহীন, আবু আহমেদ নাসিম পাভেল, শেখ সোহেল উদ্দিন, ডা. খালেদ শওকত আলী, শেখ ফজলে ফাহিম, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, তাজউদ্দিন আহমেদ, জুয়েল আরেং, মো. আনোয়ার হোসেন, এম শাহাদত হোসেনসহ অন্যরা।
কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন বিশ্বাস মতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, মো. বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম ও মো. রফিকুল আলম জোয়ারদার।
সংগঠনের ৯ সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, মো. সোহেল পারভেজ, আবু মুনির মো. শহিদুল হক রাসেল, মশিউর রহমান চপল, অ্যাডভোকেট মো. শামীম আল সাইফুল সোহাগ ও প্রফেসর ড. মো. রেজাউল কবির।
এছাড়া ২১ জনকে বিভিন্ন দপ্তরের সম্পাদক ও ২১ জনকে দপ্তরগুলোতে উপসম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে।
৪১ জনকে দেওয়া হয়েছে সহসম্পাদকের পদ, ৭৫ জন রয়েছেন নির্বাহী সদস্য।
প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম মিণ্টন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহাদত হোসেন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক ব্যারিস্টার আলী আসিফ খান রাজিব, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার সৈয়দ সহিদুল হক সুমন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী সরোয়ার হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শামীম খান, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. শামসুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. ফরিদ রায়হান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মীর মো. মহিউদ্দিন, জনশক্তি ও কর্মস্থান বিষয়ক সম্পাদক শাহীন মাসুম, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নিজামউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. মিয়া শেখ সাগর, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল হাই, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মো. হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাও. খলিলুর রহমান সরদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আদিত্য নন্দী, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাড. শেখ নবিরুজ্জামান বাবু, উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম।
উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড.মো. এনামুল হোসেন সুমন, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. সায়েদ আশফাক আকন্দ তুহিন, উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মো.আলতাফ হোসেন, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হাসান সুপ্ত, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ (আইটি) বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী স্বরণ।
উপ-স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল, উপ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. মিছির আলী, উপ-জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুর রহিম, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সামসুল ইসলাম পাটোয়ারি, উপ-শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ আল-আমিন, উপ-কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়া শামীম, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হরে কৃষ্ণ বৈদ্য, উপ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা সানজিদা শারমীন।
সহ সম্পাদক যারা হলেন মো. সাইফুল আলম, সাইফুল ইসলাম শাহীন পাটোয়ারি, মো. বেলাল হোসেন ফিরোজ, আবির মাহমুদ ইমরান, তোফাজ্জল হোসেন, মো.আতাউর রহমান উজ্জ্বল, মো. মামুন আজাদ, মির্জা মো. নাসিউল আলম শুভ, মো. রাজু আহমেদ, গোলাম ফেরদৌস ইব্রাহীম, মো. মাইনুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আরাফাত হোসেন খান, মো. আলামিনুল হক আলামিন, জামিল আহমেদ, মো. আব্দুল রহমান জীবন, নাজমুল হুদা ওয়ারেসি মণ্ডল, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. আজিজুল রহমান সরকার, সামিউল আমিন, মো. আলমগীর হোসেন শাহ জয়, মো. কামরুল হাসান লিংকন, রাজীব আহমেদ তালুকদার, মো. বাবলুর রহমান বাবলু, এ কে এম মুক্তাদির রহমান শিমুল, হিমেলুর রহমান হিমেল, আহতাসামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি, মো. রাশেদুল ইসলাম সাফিন, মো. মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, মো. রায়হান রুবেল, সাইফুল ইসলাম সাইফ, ইঞ্জি. মো. কামরুজ্জামান, মো. মনিরুজ্জামান পিন্টু, মো. মনিরুল ইসলাম আকাশ, জিএম ওয়াহেদ পারভেজ, মো. জয়নাল আবেদীন চৌধুরী, ডা. মো. মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া রাফি, মো. নাসির উদ্দিন মিন্টু, মশিউর রহমান মহারাজ, এ কে এম মহিউদ্দিন খোকা মজুমদার। এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির ৭৫ সদস্যের নামও রয়েছে।
গত বছর অনুষ্ঠিত সপ্তম কংগ্রেসে শেখ ফজলে শামস পরশকে যুবলীগের চেয়ারম্যান ও মাইনুল ইসলাম খান নিখিলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণির নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক যুব কনভেনশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে যুবলীগ।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় এই সংগঠন। গত চার দশকের বেশি সময় ধরে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম ও হাজারো নেতা-কর্মীর আত্মত্যাগের মাধ্যমে যুবলীগ আজ দেশের সর্ববৃহৎ যুব সংগঠনে পরিণত হয়েছে।
ভয়েস/আআ